নাগরিকদের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনায় স্বস্তি দিতে নতুন এক উদ্যোগ নিয়েছে ইরান সরকার। এই পরিকল্পনার আওতায় প্রয়োজনীয় পণ্য বাকিতে কেনার সুযোগ পাবেন সরকারি সহায়তাভোগী পরিবারগুলো, যাতে তারা পরে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ করতে পারেন।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারি সহায়তা পাওয়া পরিবারগুলো প্রতি দুই মাসে একবার দোকান থেকে মৌলিক পণ্য বাকিতে কিনতে পারবে। তবে কেনা পণ্যের মূল্য তাদের প্রাপ্ত সরকারি সহায়তার নির্ধারিত অঙ্কের বেশি হতে পারবে না।
এই কর্মসূচির অর্থায়নে বেসরকারি কোম্পানিগুলো অংশ নেবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। সাম্প্রতিক সময়ে ইরানে খাদ্যপণ্যসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বেড়েছে।
এদিকে তেহরানভিত্তিক অর্থনৈতিক পত্রিকা ‘ডোনিয়া-ই-ইকতেসাদ’ চলতি বছরের মূল্যস্ফীতি নিয়ে তিনটি সম্ভাব্য পূর্বাভাস প্রকাশ করেছে।
পত্রিকাটির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা হলে সবচেয়ে অনুকূল পরিস্থিতিতে মূল্যস্ফীতির হার প্রায় ৪৯ শতাংশে সীমিত থাকতে পারে।
অন্যদিকে, যদি বর্তমান ‘না যুদ্ধ, না শান্তি’ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকে—যে পরিস্থিতি গত বছরের ১২ দিনের সংঘাতের পর এবং চলতি বছরের মার্কিন-ইসরাইলি হামলার আগে দেখা গিয়েছিল—তাহলে মূল্যস্ফীতি ৬৭ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।
বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যুদ্ধের মাত্রা বেড়ে গেলে ইরান অতিমূল্যস্ফীতির মুখে পড়তে পারে। সে ক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতির হার ১২৩ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছানোর ঝুঁকি রয়েছে।










