Wednesday , 14 September 2022 |
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আফ্রিকা
  6. আবহাওয়া
  7. আমেরিকা
  8. আয়ারল্যান্ড
  9. ইউক্রেন
  10. ইউরোপ
  11. ইতালি
  12. কানাডা
  13. খেলাধুলা
  14. গ্রাম বাংলা
  15. চিত্র বিচিত্র

সৌদিতে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু নিয়ে ধূম্রজাল

প্রতিবেদক
Probashbd News
September 14, 2022 6:36 am

সৌদি আরবে হারুন অর রশিদ (৪১) নামে এক বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। তিনি মরে গেছেন না বেঁচে আছেন তা এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পরিবার।

গত ১৯ দিন ধরে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এছাড়া তার মৃত্যু নিয়ে একেকরকম তথ্য পাওয়ায় বিভ্রান্তিতে পড়েছেন স্ত্রী-সন্তানসহ স্বজনরা।

হারুন অর রশিদ নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার মালিপাড়া গ্রামের মৃত ইউসুফ আলী ব্যাপারীর ছেলে। সৌদি আরবের দাম্মাম শহরের আফকিক এলাকায় আল ইশা কোম্পানির বুলডোজারের চালক তিনি।

জীবিত বা মৃত যে অবস্থায়ই হোক হারুন অর রশিদের সন্ধান পেতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছে পরিবার।

মঙ্গলবার সরেজমিন হারুন অর রশিদের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, স্ত্রী-সন্তানসহ স্বজনরা কান্নাকাটি করছেন। এ সময় তার ছেলে পারভেজ ব্যাপারী জানান, তার বাবা দীর্ঘ ১৫ বছর সৌদি আরবের দাম্মাম শহরের আফকিক এলাকায় চাকরি করছেন। সেখানে আল ইশা কোম্পানির বুলডোজারচালক তিনি।

তিনি জানান, গত ২৬ আগস্ট তার বাবার সহকর্মী ব্রাক্ষণবাড়িয়ার আল আমিন মোবাইলে তাকে জানান, আগের দিন আফকিক এলাকায় বুলডোজার চালানোর সময় একটি বিস্ফোরণে তার বাবা দগ্ধ হয়েছেন। পরে একই কোম্পানিতে কর্মরত বড়াইগ্রামের মেরিগাছা গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকও জানান তার বাবা মারা গেছেন এবং লাশ সেখানেই দাফন করা হয়েছে। তিনি ওয়ারিশ সনদ পাঠাতে বলেন। ওয়ারিশ সনদ পাঠানোর পর থেকেই তাকে মোবাইলে পাওয়া যাচ্ছে না।

এরপর ওই কোম্পানির সুপারভাইজার ভারতীয় নাগরিক সৈয়দ সাব্বির হায়দার রিজভীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, একটি লাশ মরচুয়ারিতে (শবঘর) সংরক্ষিত আছে। এখনো কবর দেওয়া হয়নি। সৌদিতে পরিচিত কেউ থাকলে তিনি গিয়ে লাশটি হারুন অর রশিদের কিনা শনাক্ত করতে পারেন।

হারুন অর রশিদের বড়ভাই আমিনুল ইসলাম ব্যাপারী জানান, সে আগুনে পুড়ে মরলে মোবাইলটাও তো পুড়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু তার মোবাইলে কল দিলে কখনো ঢুকছে, কখনো বন্ধ পাচ্ছি। একবার কল রিসিভ হলেও ভাষাগত কারণে কী বলে কিছু বুঝতে পারছি না। প্রকৃতই সে মারা গেছে, না বেঁচে আছে, নাকি কেউ তাকে জিম্মি করে রেখেছে কিছুই বুঝতে পারছি না।

প্রবাসী হারুন অর রশিদের স্ত্রী পারভীন বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার ছেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার বাবার সন্ধান পেতে আবেদন করেছে। জীবিত বা মৃত যে অবস্থায় হোক আমার স্বামীকে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করার আকুতি জানাই।

বনপাড়া পৌর মেয়র কেএম জাকির হোসেন বলেন, তার জীবিত থাকা না থাকা কোনোটাই নিশ্চিত হতে না পেরে স্বজনরা ভেঙে পড়েছেন। জীবিত বা মৃত যে অবস্থায় হোক তার সন্ধান পেলে স্বজনরা সান্ত্বনা পেতেন।

সর্বশেষ - সাহিত্য

আপনার জন্য নির্বাচিত

যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে ৩ ফুটবলারকে গুলি করে হত্যা

সারওয়ার হোসেন এর কবিতা: বন্ধুকে দেখার অপেক্ষায়

সারওয়ার হোসেন এর কবিতা: বন্ধুকে দেখার অপেক্ষায়

হঠাৎ বিশ্ববাজারে বাড়লো স্বর্ণের দাম

হঠাৎ বিশ্ববাজারে বাড়লো স্বর্ণের দাম

ইরানের পদক্ষেপ নিয়ে মিসর ও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ

ইরানের পদক্ষেপ নিয়ে মিসর ও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ

ত্রিপুরায় বাঁধ খুলে দিয়েছে ভারত, বাংলাদেশে লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দি

মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসীদের জন্য বিমানবন্দরে হবে স্পেশাল লাউঞ্জ

ইংরেজি বলতে না পারায় পেলেন ১০ লাখ টাকা!

ইংরেজি বলতে না পারায় পেলেন ১০ লাখ টাকা!

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ও শরীয়তপুরের কাঁঠালবাড়ি রুটের ফেরিগুলো দিন নোয়াখালী-হাতিয়া রুটে

রাজনৈতিক সংস্কারে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে আগ্রহী কমনওয়েলথ

চীনা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট ইউনিয়নে দুই বাংলাদেশি নির্বাচিত