Monday , 19 December 2022 |
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আফ্রিকা
  6. আবহাওয়া
  7. আমেরিকা
  8. আয়ারল্যান্ড
  9. ইউক্রেন
  10. ইউরোপ
  11. ইতালি
  12. কানাডা
  13. খেলাধুলা
  14. গ্রাম বাংলা
  15. চিত্র বিচিত্র

ফ্রান্স-আর্জেন্টিনা ম্যাচ চলাকালে যুবককে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাত

প্রতিবেদক
Probashbd News
December 19, 2022 9:23 am
ফ্রান্স-আর্জেন্টিনা ম্যাচ চলাকালে যুবককে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাত

বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ চলাকালে পাবনায় তুফান হেসেন (৩২) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে।রোববার (১৮ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ১০টার দিকে পাবনা পৌর সদরের কাশিপুর বটতলা নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

আহত তুফান কাশিপুর বটতলা এলাকার নাছিম হোসেনের ছেলে। তাকে গুরুতর আহতাবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, তুফানের সঙ্গে আগের একটি মারামারির ঘটনা নিয়ে বিরোধ ছিল নাজিরপুর হাটপাড়া গ্রামের মৃত দুদু প্রামানিকের ছেলে নিশান, হেমায়েতপুর আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকার আজমত আলীর ছেলে রাজু হোসেন, কাশিপুর সাধু খাঁর বটতলা এলাকার দেলবার হোসেনের ছেলে রাশেদসহ কয়েকজনের। রোববার রাতে কাশিপুর মোড়ে বড় পর্দায় বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা দেখছিলেন তারা।

খেলার এক ফাঁকে পূর্ব বিরোধের জের ধরে তুফানকে ডেকে নিয়ে যায় রাশেদ, নিশান, রাজুসহ তার সহযোগীরা। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তুফানকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় তারা। তার চিৎকারে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন চিকিৎসকরা। সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আহত তুফানের চাচা রমজান শেখ, স্থানীয় বাসিন্দা বকুল, টুটুল, শাকিলসহ কয়েকজন বলেন, নিশান ও তার সহযোগীরা এলাকায় মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত। এ কাজে তাদের বাধা দিয়েছিল তুফান। এ ঘটনার কিছু দিন আগে নিশানকে মারপিট করে তুফানসহ অন্যরা। সেই বিরোধের জের ধরে রোববার রাতে খেলা চলাকালে তুফানকে ডেকে পাশের দোকানের আড়ালে নিয়ে যায় নিশান, রাশেদ, সুইট, কালাম, রাজু ও মাহিন। পরে তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় তারা। এ ঘটনার সঙ্গে বিশ্বকাপের খেলা নিয়ে কোনো বিরোধ হয়নি।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কৃপা সিন্ধু বালা বলেন, খবর পাওয়ার পর পরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হামলাকারীদের শনাক্ত ও তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এখন পর্যন্ত আহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ থানায় অভিযোগ দেয়নি।

সর্বশেষ - সাহিত্য