স্পোর্টস ডেস্ক
তরুণ অ্যাথলেটদের সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন স্প্রিন্ট ট্র্যাকের কিংবদন্তি উসাইন বোল্ট।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের লিডারশিপ সম্মেলনে যুক্ত হয়ে উসাইন বোল্ট এ পরামর্শ দেন।
এ জ্যামাইকান তারকা করোনা মহামারি, ক্যারিয়ার, বর্ণবাদ, অনুশীলন, তারকা ইমেজ, পিতৃত্ব ও ক্রিকেট নিয়ে ক্রীড়া সাংবাদিক আয়াজ মেননের নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন।
শুরুতে আয়াজের সঙ্গে বোল্টের কথা হয় ক্রিকেট নিয়ে। এর পর কীভাবে তিনি ক্রিকেট ছেড়ে একজন কিংবদন্তি দৌড়বিদে পরিণত হলেন কথা বলেন তা নিয়ে।
এর পর মহামারি নিয়ে কথা বলার সময় বোল্ট বলেন, মহামারির তিন মাসের মাথায় আমার মেয়ে জন্মেছে। আমার ভালো লেগেছে যে, মেয়েটার সঙ্গে সময় কাটাতে পেরেছি। যদিও সময়টা অনেক কঠিন ছিল। আমি এ সময়ে গান শুনে, পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি চাপমুক্ত থাকার জন্য।
এর পর তিনি কথা বলেন সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে। তিনি স্বীকার করেন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম তরুণদের মধ্যে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে।
এলিট অ্যাথলেটদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিপর্যয় নিয়ে বোল্টকে প্রশ্ন করেন আয়াজ। উত্তরে বোল্ট বলেন, অনেকের মানসিক সমস্যার মধ্য দিয়ে গেছে, সেটি আমি দেখেছি। আমারও কঠিন সময় কেটেছে, সেটি তরুণ বয়সে যখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সেভাবে সাড়া ফেলেনি।
‘এখন তরুণ এলিট অ্যাথলেটদের ওপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম চাপ তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখে। আমি সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বলতে গেলে দূরে ছিলাম। এমনকি আমার পোস্ট বা ছবির কোনো মন্তব্য আমি ব্যক্তিগতভাবে পড়ি না। আমি তরুণদের বলব, তোমরা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকো। আমার বেড়ে উঠার সময় এটি (সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম) সেভাবে সাড়া ফেলেনি বলে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি।’
উসাইন বোল্টকে বলা হয় ইতিহাসের দ্রুততম মানব। ২০১৭ সালে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডকে বিদায় জানালেও ১০০ ও ২০০ মিটার স্প্রিন্টে বোল্টের বিশ্বরেকর্ড আজও অক্ষত। গতির লড়াইয়ে জ্যামাইকান কিংবদন্তিকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও জাগাতে পারেননি কেউ।