বেলারুশের সঙ্গে আগামী বছরের প্রথম দিকে আবারও একটি যৌথ সামরিক মহড়া চালানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
ইউক্রেন ইস্যুতে যখন আমেরিকা ও পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে রাশিয়ার প্রচণ্ড রকমের সামরিক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে, তার মধ্যেই এ ঘোষণা দিলেন ভ্লাদিমির পুতিন। খবর স্পুটনিকের।
মূলত প্রতিবেশী দেশটিকে চাপে রাখতেই এ মগড়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরে গত বুধবার বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কর সঙ্গে এক বৈঠকে পুতিন যৌথ সামরিক মহড়ার এ ঘোষণা দেন।
বৈঠকে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট যৌথ মহড়ার জন্য রুশ প্রেসিডেন্টের কাছে প্রস্তাব তুলে ধরেন। জবাবে পুতিন বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারি অথবা মার্চের দিকে যৌথ সামরিক মহড়া চালাতে পারি আমরা। এ ব্যাপারে সামরিক বাহিনী সময়সূচি ঠিক করবে।
গত সেপ্টেম্বরে বেলারুশ ও রাশিয়া সপ্তাহব্যাপী বিশাল যৌথ সামরিক মহড়া চালিয়েছিল। সেই সময় পুতিন বলেছিলেন— এই মহড়া বিদেশি কোনো দেশকে লক্ষ্য করে চালানো হয়নি, তবে রুশ সীমান্তের কাছে মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো বাহিনীর তৎপরতার জন্য এটি ছিল প্রয়োজনীয় জবাব।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, যৌথ মহড়ায় দুই দেশের দুই লাখ সেনা, ৮০টি বিমান ও হেলিকপ্টার, ১৫টি যুদ্ধজাহাজ এবং প্রায় তিনশ ট্যাংক অংশ নিয়েছিল।
উল্লেখ্য, বেলারুশকে ১ বিলিয়ন ডলারের সমরাস্ত্র দিচ্ছে রাশিয়া। আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে রাশিয়া এসব অস্ত্র সরবরাহ করবে।