যারা প্রবাসে চলে গেছেন দেশ ছেড়ে তাদের আপন মানুষজন ছেড়ে তাদের ভাবনায় শুধু একটা ভাবনাই থাকে, আমার মা ভালো আছে তো! আমার বাবা ভালো আছে তো! আমার সন্তানরা ভালো আছে তো! এই ভাবনাগুলো তাদের আরো ভাবিয়ে তোলে যে, তাদের যত কষ্টই হোক না কেন তাদের উপার্জন করতে হবে।
একজন প্রবাসীর দেহ থাকে প্রবাসে, কিন্তু মন থাকে স্বদেশে। প্রিয়জনের মুখ তার চোখে ভাসে। স্বদেশের মেঘ-বৃষ্টি- রোদ, আলো-বাতাস, সবুজ ঘাসে শিশির ভেজা কুয়াসা গ্রামের মেটু পথ তাকে কাছে ডাকে, ক্ষণে ক্ষণেই ঝাপসা হয় তার দুটি চোখ। প্রবাসীরা দিনান্ত পরিশ্রম করে, কিন্তু কয়জনই বা ধরতে পারে সোনার হরিণ?
সে সোনার হরিণের পেছনে দৌড়াতেই থাকে, সময় যায়, ভবিষ্যত মেঘে ঢাকাই থেকে যায়। প্রবাসীদের কেউ হয়তো সোনার হরিণের নাগাল পায়, কিন্তু সিংহভাগই যেই লাউ সেই কদু হয়ে থেকে যায়। প্রবাসীদের কষ্টে জীবন চলে গেলেও কখনো পরিবার কিংবা আপনজনদের কষ্টের বুঝা বুঝতে দেয় না। নিজে না খেয়ে কাজের জন্য কর্মস্থলে চলে যায় দু’টাকা পাওয়ার প্রত্যাশায়। এই প্রত্যাশাকে বুকে ধরেই প্রতিনিয়ত কষ্ট করে দেশ তথা পরিবারকে পরিচালিত করে। প্রবাসীদের একটু সম্মান করুন, ভালো বাসতে শিখুন কারণ তাদের হাজার কষ্ট লুকিয়ে রেখে পরিবার দেশের জন্য কাজ করে চলেছে।