দুবাইয়ে বাঁচা মরার লড়াইয়ে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৮৩ রান করে বাংলাদেশ। সংযুক্ত আরব আমিরাতে টি-২০ ক্রিকেটে এটা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর টাইগারদের। আগের সর্বোচ্চ ৪ উইকেটে ১৭১ রান। কিন্তু এত রান করেও লাভ হলো কী! তিন বদলেও ভাগ্যবদল হলো না বাংলাদেশের। শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে সাকিবদের আর খেলা হলো না সুপার ফোরে। শ্রীলঙ্কার কাছে ২ উইকেটে হেরে এশিয়া কাপ থেকে বিদায় নিতে হলো রানার্সআপ সাকিবদের।
বাংলাদেশের করা ১৮৩ রান তাড়া করে শ্রীলঙ্কা ম্যাচ জিতেছে শেষ ওভারে। যা এই মাঠে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়। অথচ ম্যাচটা ছিল বাংলাদেশের হাতের মুঠোয়। দাশুন শানাকা ও কুশল মেন্ডিস আউট হওয়ার পর শ্রীলঙ্কার পক্ষে বাজি ধরার লোক পাওয়া যাচ্ছিল না।
কিন্তু বাংলাদেশ নিজেদের ভুলেই সর্বনাশ ডেকেছে। ৮টি ওয়াইড, ৪টি নো বল—অতিরিক্ত কলামের এ দুই খাতে বাংলাদেশ যত রান ব্যয় করেছে…শ্রীলঙ্কা ছিল পুরোপুরি উল্টো। এ টালিতে শ্রীলঙ্কার কোনো রানই দেয়নি।
ইবাদত দ্রুত ৩ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে জয়ের আশা দেখালেও ডুবিয়েছেন তিনি-ই। ৪ ওভারে ৫১ রান দিয়েছেন। যেখানে ওয়াইড বল ৮টি, নো ২টি। বাকি ২টি নো দিয়েছেন স্পিনার মেহেদী। সাকিবের মতে, ‘স্পিনারদের নো বল দেয়া ক্রাইম।’
এছাড়া কুশল মেন্ডিসকে চার জীবন দিয়ে রীতিমত নিজেদের স্বপ্ন চূরমার করেছেন মুশফিক, মেহেদীরা। তাসকিনের বলে মুশফিক শুরুতে তার ক্যাচ ছাড়েন ২ রানে। মেহেদীর বলে উইকেটের পেছনে ডানহাতি ব্যাটসম্যান ক্যা দিয়েও বেঁচে যান। ২৯ রানে তাকে বাঁচিয়ে দেয় মেহেদীর নো বল।
৩১ রানে ইবাদতের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন মেন্ডিস। বাংলাদেশের আবেদন আম্পায়ার নাকচ করে দিলেও রিভিউ নেননি সাকিব। সাকিবের রিভিউ না নেওয়ার কারণ, মুশফিক ও ইবাদত কানে কিছু শুনতে পারেননি এবং তারা আত্মবিশ্বাসীও ছিলেন না। আবার ৪৪ রানে স্টাম্পের খুব কাছ থেকেও তাকে রান আউট করতে পারেননি সাব্বির।