প্রবাসে প্রেমের সম্পর্ক থেকে বরগুনার পাথরঘাটায় বিয়ের দাবিতে অনশনে বসেছিলেন একই দেশ ফেরত এক নারী। একপর্যায়ে মুঠোফোনে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পরিবার। তবে ওই নারীর বাবা এসে অনশন ভেঙে তাকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে গেছেন।
রবিবার (১৫ মে) বিকালে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম নাসির।
তিনি জানান, উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের জর্ডান প্রবাসী হাসানের বাড়িতে শনিবার দুপর থেকে অবস্থান নেন ওই নারী। তার বাড়ি পিরোজপুরের পারেরহাটা এলাকায়। রবিবার দুপুরে সোনিয়া নামের ওই নারীর বাবা আবদুস সামাদ জোমাদ্দার হাসানের বাড়িতে এসে অনশন ভেঙে মেয়েকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে গেছেন।
অবস্থান নেয়া সোনিয়া জানান, জর্ডানে থাকাকালীন প্রবাসীদের ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে হাসান নামের এক যুবকের সঙ্গে পরিচয় হয় তার। এক পর্যায়ের তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
সোনিয়ার অভিযোগ, প্রেমের সম্পর্কের একপর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস দেওয়ায় হাসানকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অংকের টাকা দেন তিনি। সবশেষে গত রমজান মাসে বিয়ের জন্য তিনি দেশে ফিরে আসলেও হাসান এখনও প্রবাসে রয়েছেন।
সোনিয়া জানান, বিয়ের জন্য চাপ দিলে হাসন সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। তাই বাধ্য হয়ে তার বাড়িতে অবস্থান করেছিলাম।
সোনিয়ার বাবা আবদুস সামাদ জোমাদ্দার জানান, এভাবে তো বিয়ে হয় না। হাসান দেশে আসলে তার সাথে কথা বলে সামাজিক ভাবে মেয়েকে বিয়ে দেয়ার চেষ্টা করবো।
এ বিষয়ে হাসানের মা ফাতিমা বেগম জানান, হাসানের কোনো প্রেমের সম্পর্কের কথা জানি না। ওর সাথে কথা বলে পারিবারিকভাবে বিষয়টি সমাধানের সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছিল। একপর্যায়ে মুঠোফোনে বিয়ের কথা হলেও ওই নারীর বাবা এসে তাকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে গেছে।
কালমেঘা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান গোলাম নাসির জানান, বিয়ে একটি সামাজিক চুক্তি। অনশন করে এভাবে সামাজিকতা হয় না। ওই নারী বিষয়টি বুঝতে পেরে তার বাবার সাথে বাড়ি ফিরে গেছেন।