শুক্রবার , ৯ ডিসেম্বর ২০২২ | ২০শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আফ্রিকা
  6. আবহাওয়া
  7. আমেরিকা
  8. আয়ারল্যান্ড
  9. ইউক্রেন
  10. ইউরোপ
  11. ইতালি
  12. কানাডা
  13. খেলাধুলা
  14. গ্রাম বাংলা
  15. চিত্র বিচিত্র

নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করুন

প্রতিবেদক
Probashbd News
ডিসেম্বর ৯, ২০২২ ৬:০৯ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

‘বাংলাদেশে এক কোটি প্রবাসীর মধ্যে ১০ লাখ নারী৷ এখানে নারীদের অভিবাসনে কোন খরচ হয় না৷ একজন পুরুষ যে উপার্জন করেন তার কিছুটা তারা নিজেরা খরচ করেন৷ কিন্তু নারীরা যা উপর্জন করেন তার পুরোটাই তারা পাঠিয়ে দেন৷ এখন কথা হল, যে নারীরা সেখানে যাচ্ছেন তারা কিন্তু একটা নাজুক অবস্থানে থেকে যাচ্ছেন৷”

গত পাঁচ বছরে মধ্যপ্রাচ্যে অন্তত পাঁচশ নারী শ্রমিক মারা গেছেন৷ তাদের অধিকাংশই আত্মহত্যা করেছেন৷ করোনার মধ্যে অনেক নারী অভিবাসী শূন্য হাতে দেশে ফিরেছেন৷ নারী অভিবাসনকে আমরা ততটা নিরাপদ করতে পারিনি৷ নারী অভিবাসনকে আমরা শ্রমিক হিসেবে মর্যাদাটুকুও দিতে পারিনি৷ আর যদি নৈতিকতার কথা বলি, নারী শ্রমিকদের সঙ্গে যে দাস আচরণ করা হয়, সেটাও আমরা প্রতিকার করতে পারিনি৷ কারণ আমরা তাদের যাদের কাছে পাঠাই তারা আমাদের চেয়ে আপারহ্যান্ডে থাকে৷ গত পাঁচ-ছয় বছরে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে৷ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে৷ কাগজপত্রে কিছু কাজ হয়েছে, কিন্তু বাস্তবদিক থেকে আমরা খুব একটা এগুতে পারিনি৷।

তারা যে উপার্জন করেন তার শতভাগই অর্থনীতিতে অবদান রাখছে৷ একজন নারী অভিবাসী মাসে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা আয় করেন৷ তার পুরো টাকাটাই তারা পাঠিয়ে দেন৷ এখন ১০ লাখ নারী বিদেশ থেকে এই টাকা পাঠাচ্ছেন৷ ফলে অর্থনীতিতে তাদের অবদানটা পরিসংখ্যান দেখলেই পরিস্কার হয়ে যাবে৷’

নারীরা যেহেতু নাজুক অবস্থান থেকে আসে, ফলে তার এই অবস্থানের সুযোগটি নেওয়া হয়৷ এখন তারা যদি গৃহকর্মে না গিয়ে গার্মেন্টস শ্রমিক বা নার্স এই ধরনের কাজে যায় তাহলে তাদের ঝুঁকি অনেক কমে যায়৷ ফলে এখনও আমরা তাদের অভিবাসনটা নিরাপদ করতে পারিনি৷ …প্রশিক্ষণ, বয়স, কাগজপত্র যেন ঠিক থাকে সেগুলো দেখতে হবে৷ পাশাপাশি ওই সব দেশে আমাদের যে দূতাবাস আছে সেখানে তাদের এই দায়িত্ব নিতে হবে৷

একজন  প্রবাসী কর্মী যখন বিদেশ থেকে আসেন বিমানবন্দরে তাকে যথাযথ মূল্যায়ন করা হয় না৷ একজন শ্রমিক হিসেবে তাকে দেখা হয়৷ একই সঙ্গে তাদের যখন বিদেশে পাঠানো হয়, তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়৷ এক কাজের পরিবর্তে আরেক কাজ দেওয়া হয়৷ ওই সব দেশে যে মিশনগুলো আছে তারা শ্রমিকদের সহযোগিতা করে না৷ ফলে শ্রমিক পাঠানো দেশ হিসেবে আমরা এখনও বলতে পারি না, আমরা অভিবাসীদের নিরাপদে সেখানে পাঠাতে পারছি৷ করোনার সময় আমরা দেখেছি, যখন সকল খাত মুখ থুবড়ে পড়ছিল তখন অভিবাসী শ্রমিকরা বেশি করে রেমিটেন্স পাঠিয়ে অর্থনীতিকে সচল রেখেছেন৷ এখন আমাদের দক্ষ কর্মী পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে৷ তাদের বেতন কাঠামো নিশ্চিত করতে হবে৷

 

সর্বশেষ - প্রবাস

Translate »