বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে প্রতিবেশী কূটনীতির রোল মডেল অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে সমাধান করা অন্যান্য অনেক সমস্যার মতোই তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তিসহ সব অমীমাংসিত সমস্যা শিগগিরই সমাধান হবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি পুনর্ব্যক্ত করেছি যে, ভারত বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং ঘনিষ্ঠতম প্রতিবেশী। বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক প্রতিবেশী কূটনীতির রোল মডেল হিসেবে পরিচিত।’
মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) ভারতের হায়দ্রাবাদ হাউসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় আলোচনা হয়। এ সময় দুই দেশের মধ্যে সাতটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। পরে এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন শেখ হাসিনা।
তিনি আরও বলেন, ‘দু’টি দেশ বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার চেতনায় অনেক অমীমাংসিত ইস্যু সমাধান করেছে। আমরা অবিলম্বে তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তি দ্রুত সই করাসহ সব অমীমাংসিত ইস্যুর সমাধান আশা করছি।’
দুই দেশের মধ্যে কুশিয়ারা নদীর পানিবণ্টন নিয়ে সমঝোতা স্মারক সইয়ের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তিসহ ৫৪টি অভিন্ন নদ-নদীর পানি বণ্টনের মতো সব সমস্যার সমাধান করা হবে।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারত যদি অংশীদার হিসেবে একসঙ্গে কাজ করতে পারে, তাহলে এটি শুধু দেশগুলোর জন্যই নয়, বরং সমগ্র অঞ্চলে শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে।
চার দিনের সফরে সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) ভারতের নয়াদিল্লি পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাকে বহনকারী বিমানটি দুপুর সাড়ে ১২টা দিকে দিল্লি বিমানবন্দরে নামে। এ সময় তাকে স্বাগত জানান ভারতের রেল ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী দর্শনা জারদোশ।