কুইন্সের বিস্তীর্ণ এলাকাকে ‘মোর্শেদ আলম দিবস’ ঘোষণার কংগ্রেসনাল স্বীকৃতিপত্র মোর্শেদ আলমকে হস্তান্তর করছেন কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং
প্রবাস জীবনের ৩৮ বছরের ৩০ বছরই কমিউনিটি সার্ভিসের স্বীকৃতি পেলেন নিউইয়র্কের বাংলাদেশি আমেরিকান মোর্শেদ আলম (৬৫)। বুধবার সন্ধ্যায় অনাড়ম্বর এক অনুষ্ঠানে কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং মোর্শেদ আলমের কর্মকাণ্ডকে ইতিহাসের অংশে পরিণত করার অভিপ্রায়ে ৬ জুলাইকে ‘মোর্শেদ আলম দিবস’ ঘোষণা করে কংগ্রেসনাল প্রক্লেমেশন জারি করেন। আর এটি মোর্শেদ আলমের বসতবাড়ি তথা কুইন্সের বিরাট এলাকা নিয়ে গঠিত ‘কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট-৬ এর জন্যে প্রযোজ্য হবে বলে গ্রেস মেং উল্লেখ করেন।
মার্কিন মুল্লুকে এই প্রথম কোন বাংলাদেশির নামে কোন কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টে ‘দিবস’ ঘোষণা করা হল।
উল্লেখ্য, মার্কিন রাজনীতিতে বাংলাদেশিদের পথিকৃৎ হিসেবে বিবেচিত ডেমক্র্যাটিক পার্টির তৃণমূলের এই নেতাকে এর আগে প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন বিশেষ সম্মানে ভূষিত করেন। মার্কিন কংগ্রেসে বাংলাদেশ এবং প্রবাসীদের অকৃত্রিম বন্ধু হিসেবে পরিচিত গ্রেস মেং তাঁর বক্তব্যে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, মোর্শেদ আলম শুধু বাংলাদেশ কিংবা দক্ষিণ এশিয়ানদেরই পথিকৃৎ নন, এশিয়ানরাও তাঁর কাছে ঋণী। অভিবাসীগণের অধিকার ও মর্যাদার প্রশ্নে আপসহীন মোর্শেদ আলম নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিগণের কাজেও সহায়তা দিয়ে আসছেন। তৃণমূলে সম্পর্ক থাকায় মোর্শেদ আলম নতুন কম্যুনিটির সকল সমস্যার গভীরে যেতে পারেন এবং তার সমাধানের উপায়ও উপস্থাপনে সক্ষম। তাঁর মাধ্যমেই আমি বাংলাদেশি আমেরিকানদের সান্নিধ্যে আসতে সক্ষম হয়েছি। এটাই বিশেষ একটি গুণ মোর্শেদ আলমের মত নিষ্ঠাবান সংগঠকদের। আমি তাঁকে অভিবাদন জানাচ্ছি এবং তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।
মোর্শেদ আলমের জন্মদিন ছিল ১ জুলাই। সে উপলক্ষে তাঁর রাজনীতি-সমাজকর্ম-আর্ত-পীরিতদের পাশে দাঁড়ানোর ৩০ বছর স্মরণে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মোর্শেদ আলমের প্রতিষ্ঠিত ‘নিউ আমেরিকান ডেমক্র্যাটিক ক্লাব’। এর নেপথ্য কর্মীগণের অন্যতম ছিলেন আহনাফ আলম, আনোয়ার হোসেন, হোসনে আরা, রীনা সাহা, রুবাইয়া রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে মোর্শেদ আলমের কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটর জন ল্যু, স্টেট এ্যাসেম্বলীম্যান ডেভিড ওয়েপ্রিন প্রমুখ বক্তব্য রাখার পাশাপাশি স্টেট পার্লামেন্টের স্বীকৃতিপত্র হস্তান্তর করেন বিপুল করতালির মধ্যে।