সোমবার , ১৪ নভেম্বর ২০২২ | ২১শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আফ্রিকা
  6. আবহাওয়া
  7. আমেরিকা
  8. আয়ারল্যান্ড
  9. ইউক্রেন
  10. ইউরোপ
  11. ইতালি
  12. কানাডা
  13. খেলাধুলা
  14. গ্রাম বাংলা
  15. চিত্র বিচিত্র

অদম্য জালাল আহমেদ, শ্রমিক হিসেবে বিদেশ গিয়ে পরপর দুবার সিআইপি

প্রতিবেদক
Probashbd News
নভেম্বর ১৪, ২০২২ ৪:০২ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

একটা মানুষ কতটা অদম্য হলে একজন সাধারন কর্মী থেকে একজন উদ্যোক্তা হয়ে উঠতে পারেন। তাও আবার বিদেশের মাটিতে। প্রবাস থেকে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে হয়েছেন সরকারের গুরুত্বপূর্ন ব্যাক্তি। ২০১৮ সাল থেকে অনাবাসী বাংলাদেশীদের জন্য সরকার যে সিআইপি সুবিধা দিয়েছে তাও অর্জন করেছেন প্রবাসী ব্যবসায়ী জালাল আহমেদ। একদা শ্রমিক হিসেবে বিদেশ গিয়ে এখন সিআইপি হওয়ায় জালাল আহমেদকে নিয়ে সমগ্র কাতারজুড়ে চলছে আলোচনা। তার দেশের বাড়ি চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জেও চলছে তাকে নিয়ে আলোচনা। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যেমে বর্তমান অবস্থায় পৌঁছেছেন তিনি। পরপর দুবার সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন জালাল আহমেদ।

প্রতিটি মানুষের মধ্যে একটি অদম্য ইচ্ছা থাকে, সফল হওয়ার। কেউ সফল হন আবার কারো পা পিছলে যায় মাঝপথে। জালাল আহমেদের ক্ষেত্রে ভাগ্যও ছিলো সুপ্রসন্ন। মধ্যপ্রাচ্যেও দেশ কাতার যাত্রা করেছিলেন ১৯৯১ সালে। একজন সাধারন শ্রমিক হিসেবে গিয়েছেন তিনি। খুবই সামান্য বেতন ছিলো তাঁর। কিন্তু সেখানকার ব্যবসা বানিজ্য এবং মানুষের জীবন যাপন দেখে নিজেকে তৈরী করতে লাগলেন। নিজের চাকুরি ছেড়ে দিয়ে একদিন শত মানুষের চাকুরির ব্যবস্থা করবেন-এমন ব্রত নিয়ে ব্যবসা শুরু করবেন বলে মনস্থির করেন। কাতারের অবকাঠামোগত উন্নয়ন চলছে তখন জোরেশোরে। এই বিষয়টি তাকে আগ্রহী করে তোলে মার্বেল পাথরের ব্যবসায়। এই ব্যবসার আদ্যপান্ত বুঝে নিয়ে বাংলাদেশ থেকে শুরু করেন রপ্তানি। এরপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি জালাল আহমেদকে। ব্যবসার পরিধি বাড়াতে থাকেন। এক পর্যায়ে এসে বাংলাদেশে একটি মার্বেল পাথর নির্ভর কারখানাও গড়ে তোলেন। মংলা ইপিজেডে তার কারখানায় বিদেশ থেকে মার্বেল আমদানি করে ক্রেতাদের ইচ্ছা অনুযায়ী তা কাটিং এবং পলিশ করা হয়। এরপর তা রপ্তানি করা হয় কাতারে। জালাল আহমেদ জানান, কাতারে তাঁর কোম্পানিতে বর্তমানে পাঁচ’শ কর্মী কাজ করে। এর মধ্যে অর্ধেকই বাংলাদেশের।

ব্যবসায় সফলতা আসলে সামাজিক দায়বদ্ধতা বেড়ে যায় বলে মনে করেন জালাল আহমেদ। এজন্য তিনি তাঁর এলাকা ফরিদগঞ্জে বহু দাতব্য প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। দুই’শ অসহায় গরীব পরিবারকে ঘরের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। ব্যবসা এবং সামাজিক কর্মসূচীর পাশাপাশি রাজনৈতিক সচেতন ব্যাক্তি হিসেবে জালাল আহমেদ কাতার আওয়ামী লীগে সংযুক্ত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি আওয়ামী লীগ কাতার শাখার সহ-সভাপতি। ইত্তেফাকের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, সফল হতে হলে দেশকে ভালোবাসতে হবে। দেশের জন্য কাজ করতে হবে। এর মধ্যেই আছে প্রশান্তি।

সর্বশেষ - প্রবাস

Translate »