আফগানিস্তানের নারী, মেয়ে ও মানবাধিকার রক্ষায় একজন বিশেষ দূত নিয়োগ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আফগানিস্তানে বিশেষ দূত হিসেবে রিনা আমিরির নাম ঘোষণা করেন। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সাবেক এই নারী উপদেষ্টা আফগানিস্তান থেকে বিশৃঙ্খলভাবে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের বিরোধী ছিলেন।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বিবৃতি দিয়ে বলেছেন, ‘আমরা একটি শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল, নিরাপদ আফগানিস্তান চাই। যেখানে সব আফগান রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক অন্তর্ভুক্তিতে বাস করতে পারে। বিশেষ দূত আমিরি আমার সঙ্গে সেই লক্ষ্যে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবেন।’
রিনা আমিরি দুই দশক ধরে সরকারের উপদেষ্টা, জাতিসংঘ ও আফগানিস্তান-সংক্রান্ত বিষয়ে বিভিন্ন চিন্তন-প্রতিষ্ঠানের (থিঙ্ক ট্যাংক) হয়ে কাজ করেছেন। তিনি এর আগে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসনে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের আফগানিস্তান ও পাকিস্তানবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেছেন।
এ ছাড়াও অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন স্টেফেনি ফস্টার নামে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন অভিজ্ঞ কর্মকর্তাকে আফগানিস্তানবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। আফগানদের উদ্ধার, পুনর্বাসন ও তালেবানের ক্ষমতা দখলে প্রতিশোধের ঝুঁকিতে থাকা নারী ও মেয়েদের নিয়ে কাজ করবেন তিনি।
দুই দশকের যুদ্ধ শেষে গত আগস্টে মার্কিন বাহিনী আফগানিস্তান ছেড়ে চলে গেছে। এরপরই পশ্চিমা-সমর্থিত আশরাফ গনি সরকারকে সরিয়ে আবারও ক্ষমতায় বসে তালেবান। ক্ষমতায় আসার পর থেকে তালেবান নারী ও মেয়েদের নিয়ে বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করছে। যুক্তরাষ্ট্র এর সমালোচনা করে আসছিল।