মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অসংখ্য বাংলাদেশি কাজ করছেন। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই শ্রমিক। কিন্তু তারা সেখানে কতোটা অমানবিক জীবন যাপন করছেন, সেটা হয়তো কম মানুষই অবগত।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শ্রমিকদের আবাসন ব্যবস্থা খুবই নিম্নমানের হয়ে থাকে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে শ্রমিকদের আবাসন ব্যবস্থা খুবই শোচনীয়। একটি ১০ বাই ১০ ফুট কক্ষে ১২-১৫ জন শ্রমিককে রাত্রি যাপন করতে হয়।
ইউরোপের অনেক দেশ বিশেষত: ইতালিতে বাংলাদেশীদের কাছে বাড়ি ভাড়া দিতে চায় না সেদেশের বাড়িওয়ালারা।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী উপরোক্ত দেশসমূহের সরকার এবং কোম্পানীগুলোর সাথে কথা বলে বাংলাদেশি শ্রমিকদের আবাসনের সুব্যবস্থা করতে পারেন। এমনকি ওইসব দেশে বাংলাদেশ সরকার বাড়ি নির্মাণ করে সেগুলি প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে ভাড়াও দিতে পারে।
এছাড়া ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড চাইলে শ্রমিকদের জমানো টাকা থেকেও ঐ সব দেশে অবকাঠামো নির্মাণ করে দিতে পারেন।
ওয়েজ আর্নার বোর্ডের টাকা দিয়ে প্রবাসে যদি স্কুল ভবন তৈরি করা যায়, তাহলে শ্রমিকদের জন্য আবাসিক ভবন কেনর তৈরি করা যাবে না।
আশা করছি পররাষ্ট্র ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় বিষয়গুলো নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন। কেননা, প্রবাসীরা ভালো ভাবে ঘুমাতে পারলে, ভালো কাজ করতে পারবেন। ভালো কাজ করলে তাদের রোজগারও হবে বেশি। যেটি দেশে রেমিটেন্স প্রবাহকে আরও সমৃদ্ধ করবে।