কুয়েতে দক্ষ, আধা-দক্ষ, স্বল্প দক্ষ জনশক্তির চাহিদা রয়েছে। দেশটির শ্রমবাজারে দীর্ঘদিন ধরে ভারত ও ফিলিপাইন একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করে আসছিল। এই খাতে বাংলাদেশেরও যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। দেরিতে হলেও এই খাতে ইতিমধ্যে বাংলাদেশ থেকে বেশ কিছু নারী-পুরুষ নার্স সরকারিভাবে কুয়েতে এসে পৌঁছেছেন।
কুয়েতে দক্ষ জনশক্তির এই দ্বারটি খুলতে বর্তমান রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসিকুজ্জামান ও মিশনের অন্য কর্মকর্তারা নিরলস প্রচেষ্টা করেছে।
পাশাপাশি সহযোগিতা দিয়েছে বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল)।
চলতি বছরের ১৯ জুন থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত ৫১ জন পুরুষ নার্স ও ৫৯ জন নারী নার্স কুয়েতে পৌঁছেছে। কুয়েতে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করবেন তারা।
২৯ জুলাই নার্সদের হোস্টেল পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব কুয়েতে এর সভাপতি মঈন উদ্দিন সরকার সুমন, সাধারণ সম্পাদক আ.হ জুবেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ হেবজু। আলাদা ভবনে থাকার ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসম্মত খাবারসহ সকল সুযোগ-সুবিধার প্রশংসা করে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন নার্সরা।
কুয়েতের আইন অনুযায়ী মেডিকেল, ফিঙ্গার প্রিন্টসহ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেই কর্মে যোগ দেবেন তারা। নার্সদের হলগুলো সার্বক্ষণিক সিসি টিভি ক্যামেরা দ্বারা পর্যবেক্ষণ করা হয়। কেউ হোস্টেলের বাইরে গেলে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লিখিত অনুমতি নিয়ে যেতে হয়। সবাইকে রাত ৯টার মধ্যে হোস্টেলে ফিরতে হয়।