কুড়িগ্রামে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যেমে পন্য বিক্রি শুরু করেছে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ টিসিবি। দরিদ্র অসহায় এবং স্বল্প আয়ের প্রান্তিক জনগোষ্ঠির জন্য ভর্তুকি মুল্যে পন্য বিক্রি করলেও মধ্য বিত্ত শ্রেনীর মানুষের বড় একটি অংশ রয়ে গেছে এর আওতার বাইরে। কার্ড বিতরনে নানা অনিয়মই ন্যায্যতার ভিত্তিতে প্রাপ্তিতে বড় বাধা বলে মনে করেন এখানকার মানুষজন।
কুড়িগ্রাম জেলায় পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে ৯ উপজেলা ও ৩টি পৌরসভায় ২লাখ ৭৭হাজার ৮শ ৮০ টি পরিবারের মাঝে ভর্তুকি মুল্যে পন্য বিক্রি শুরু করেছে টিসিবি। প্রান্তিক এ জেলায় দরিদ্র অসহায় ও মধ্য আয়ের মানুষের ডাটাবেজ তৈরী করে একটি করে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করার কথা থাকলেও তা সঠিকভাবে নিরুপন করা হয়নি। কোন কোন পরিবারে একের অধিক এমনকি পরিবারের প্রতিটি সদস্যের নামেই দেয়া হয়েছে এই কার্ড। এর ফলে মাঝারী বা মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো বঞ্চিত হচ্ছে সরকারের মহতি এ উদ্দ্যোগ থেকে। তবে চাহিদার বিপরীতে বরাদ্দ স্বল্পতার কারনে মধ্য আয়ের মানুষদের দেয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে জানান জন প্রতিনিধিরা।
বাজারে দ্রব্য মুল্য বৃদ্ধির কারনে কষ্টে থাকা মধ্য আয়ের মানুষের অভিযোগ জন প্রতিনিধিরা তাদের ভোটের হিসেব নিকেশ কষেন বলেই সকল শ্রেনীর মানুষকে সুবিধা দেন না।
বাজার মুল্যের চেয়ে কম দামে টিসিবিতে পন্য পাওয়ায় সামর্থ্যবানরাও ঝুকছেন কার্ড সংগ্রহে। পেয়েও যাচ্ছেন কার্ড। তবে নি¤œবিত্ত¡ ও দিন মজুর শ্রেনীর মানুষের আশা সরকারের এ উদ্দেগ অব্যাহত থাকুক সারা বছর জুড়ে।
নিন্ম আয়ের মানুষের জন্য কার্ড বরাদ্দের নির্দেশনার কারনে শুধু সেই সকল মানুষকে সংযুক্ত করা হয়েছে। তবে মধ্যবিত্ত মানুষকে এর আওতায় আনতে আরো অতিরিক্ত বরাদ্দের দাবী এই ইউপি চেয়াম্যানের ।