যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল এক প্রতিবেদনে এই খবর জানিয়েছে।
রোববার (১১ জানুয়ারি) প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বলা হয় গ্রিনল্যান্ডের আক্রমণের পরিকল্পনা করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বাহিনীর কমান্ডারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ৩ জানুয়ারি ভেনেজুয়েলায় পরিচালিত এক সামরিক অভিযানে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করার ঘটনায় ওয়াশিংটনের সাফল্যের পর ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ নীতিগত কট্টরপন্থীরা (পলিসি হকস) চাইছেন—রাশিয়া বা চীন কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগেই দ্রুত গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া হোক।
‘ট্রাম্প জয়েন্ট স্পেশাল অপারেশনস কমান্ড (জেএসওসি)-কে সম্ভাব্য আক্রমণ পরিকল্পনা তৈরি করতে বলেছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী সংস্থা জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ এ উদ্যোগের বিরোধিতা করছে।’
এদিকে, ট্রাম্পের মন্তব্যের পর শুক্রবার গ্রিনল্যান্ডের সব প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতারা এক যৌথ প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আমরা আমেরিকান হতে চাই না, আমরা ডেনিশও হতে চাই না। আমরা গ্রিনল্যান্ডার হিসেবেই থাকতে চাই।”
শুক্রবার হোয়াইট হাউসে এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, “গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আমরা কিছু একটা করব। আমরা যদি না করি, তাহলে রাশিয়া বা চীন গ্রিনল্যান্ড দখল করে নেবে। আমরা রাশিয়া বা চীনকে প্রতিবেশী হিসেবে চাই না।”
তিনি আরও বলেন, “আমি সহজ উপায়ে একটি চুক্তি করতে চাই। কিন্তু সহজ উপায়ে না হলে, কঠিন উপায়েই আমরা তা করব।”










